বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
সর্বশেষ খবর

পুলিশের ওপর সরাসরি অস্ত্র নিয়ে আত্মঘাতী হামলার পরিকল্পনা ছিল জঙ্গির 

প্রকাশিত: ৩ আগস্ট, ২০২৬
পুলিশের ওপর সরাসরি অস্ত্র নিয়ে আত্মঘাতী হামলার পরিকল্পনা ছিল জঙ্গির 
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ রাজ্যের হেভিওয়েট মন্ত্রী ও তাঁদের পরিবারকে ফাঁদে ফেলতে সক্রিয় ছিল পাকিস্তানি চররা। পাকিস্তানের জঙ্গি সংগঠন ‘জৈশ-ই-মহম্মদ’ এবং গ্যাংস্টার শাহজাদ ভাট্টির নির্দেশে এ রাজ্যে বড়সড় নাশকতার জাল বোনা হচ্ছিল। তদন্তে নেমে রাজ্য পুলিশের বিশেষ টাস্ক ফোর্স (STF) জানতে পেরেছে, রাজ্যের অন্তত ৬ জন মন্ত্রী এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের ‘হানিট্র্যাপ’ বা রূপের ফাঁদে ফেলার ছক কষেছিল জঙ্গিরা। আর এই গুরুদায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল বর্ধমান থেকে ধৃত জঙ্গি হামিম মণ্ডলের বান্ধবী অর্পিতা সরকারকে। ইতিমধ্যেই ঝাড়খণ্ডের সাহেবগঞ্জ থেকে অর্পিতাকে গ্রেফতার করেছে রাজ্য পুলিশ।

গোয়েন্দা সূত্রে খবর, ২৪ বছর বয়সি হামিম মণ্ডলের সঙ্গে ইনস্টাগ্রামে আলাপ হয়েছিল মডেলিং ও বাইক চালানোয় তুখড় অর্পিতার। পাকিস্তানি হ্যান্ডলার ‘আবিদ জাট’ ও ‘হামাদ’-এর নির্দেশে কাজ করছিল এই যুগল। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়ো অ্যাকাউন্ট খুলে প্রভাবশালী ও আমলাদের ফাঁদে ফেলার চেষ্টা করছিল অর্পিতা। ছক ছিল, প্রথমে রূপের জালে জড়িয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হাতিয়ে নেওয়া এবং পরে সুযোগ বুঝে অপহরণ বা ‘টার্গেটেড কিলিং’ করা।
শুধু হানিট্র্যাপ নয়, স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে এ রাজ্যে পুলিশের ওপর সরাসরি অস্ত্র নিয়ে আত্মঘাতী হামলার পরিকল্পনাও ছিল হামিমের। গোয়েন্দারা জানার চেষ্টা করছেন, ১৫ আগস্টের দিনই এই রক্তক্ষয়ী হামলা চালানোর চূড়ান্ত দিনক্ষণ ঠিক করা হয়েছিল কি না। ধৃতদের মোবাইল ঘেঁটে ‘সেশন’ এবং ‘এলিমেন্ট এক্স’ নামের দুটি অত্যন্ত সুরক্ষিত ও এনক্রিপটেড মেসেজিং অ্যাপের হদিশ মিলেছে। কোনও ফোন নম্বর ছাড়াই শুধু বিশেষ কোডের মাধ্যমে এই অ্যাপগুলি দিয়ে সরাসরি পাকিস্তানের হ্যান্ডলারদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখত তারা। আপাতত ধৃত দু’জনকেই নিজেদের হেফাজতে নিয়ে এই আন্তর্জাতিক জঙ্গি মডিউলের শিকড় খোঁজার চেষ্টা করছেন এসটিএফ কর্তারা।

আরও খবর