বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
রানি রাসমণির অদম্য ইচ্ছায় গড়ে ওঠা ঐতিহাসিক পুণ্যভূমি
পূরব ব্যানার্জীর কবিতা: রাত্রি শেষে সেই বিষন্ন সকাল এবং ব্যর্থতা
পূরব ব্যানার্জীপূরব ব্যানার্জী
ছোট মানুষের দম্ভ
সন্দীপ সিনহাসন্দীপ সিনহা
বসিরহাটে ‘অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার’-এর কাজ বয়কট করে বিএলও-দের, বিক্ষোভ
ভালোবাসা নাকি দমবন্ধ করা ফাঁদ? আধুনিক ডেটিং দুনিয়ায় বাড়ছে ‘এনমেশমেন্ট’-এর বিপদ
ইতিহাস সাত্ত্বিক-চিরাগের! প্রথমবার সিঙ্গাপুর ওপেনের ফাইনালে ভারত
বেসরকারি হাসপাতালের ভর্তি না নেওয়ার অভিযোগ, বিজেপিকে কড়া হুঁশিয়ারি মমতার
সূর্যবংশীর ব্যাটিংয়ে আপ্লুত বলিউডের শাহেনশা
আবাস যোজনার নামে কাটমানি! মুর্শিদাবাদে গ্রেপ্তার তৃণমূলের প্রাক্তন উপপ্রধান
রেলিংয়ে বসে চুম্বনে মত্ত যুগল ঠোঁটে ঠোঁট রেখেই পড়ে গেলেন নিচে, ভাইরাল ভিডিও
রাজধানীতে বড়সড় নাশকতার ছক বানচাল! ৯ জন গ্রেপ্তার
মেসি কাণ্ডে নয়া মোড়! প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে বিধাননগর পুলিশের এফআইআর
বাংলার মিষ্টির অহংকার: বর্ধমানের ঐতিহ্যবাহী সীতাভোগ
তৃণমূলের শাসনকালেও চড় খেয়েছিলেন অভিষেক 
ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানে ঢিমেতাল, বৈঠকে ক্ষোভ বিধায়কের
Section Background

আপনার
আজকের দিনটি
কেমন যাবে ?

Hand Pointing
বসিরহাটে ‘অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার’-এর কাজ বয়কট করে বিএলও-দের, বিক্ষোভ

বসিরহাটে ‘অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার’-এর কাজ বয়কট করে বিএলও-দের, বিক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ রাজ্য সরকারের ‘অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার’ (Annapurna Bhandar Scheme) প্রকল্পের ফর্ম ফিলাপ ও বাড়ি বাড়ি গিয়ে সমীক্ষা করার কাজ ঘিরে চরম জটিলতা তৈরি হলো উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাটে। এই প্রকল্পের কাজ করতে স্পষ্ট অনীহা প্রকাশ করেছেন এলাকার বহু বুথ স্তরের কর্মকর্তা বা বিএলও (BLO), যাঁদের বড় অংশই পেশায় স্কুল শিক্ষক। শনিবার ব্লক উন্নয়ন আধিকারিক বা বিডিও (BDO) অফিসে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ অমান্য করে বসিরহাট নিউ সার্কেল স্কুল পরিদর্শকের (SI) অফিসের সামনে জড়ো হয়ে তীব্র বিক্ষোভ দেখান শতাধিক বিএলও। প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার রাতে হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজের মাধ্যমে সমস্ত বিএলও-দের অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের কাজের রূপরেখা তৈরি করতে শনিবার বিডিও অফিসে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই নির্দেশকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে বিএলও-রা মহকুমা শাসক (SDO) ও স্কুল পরিদর্শকের উদ্দেশ্যে একটি গণ ডেপুটেশন জমা দেন। তাঁদের সাফ কথা, নির্বাচন সংক্রান্ত এবং মূল শিক্ষাদানের কাজ ছাড়া তাঁরা সরকারের এই অশিক্ষামূলক বা অন্য কোনো প্রকল্পের কাজ করবেন না। এই ধরনের অতিরিক্ত কাজের ফলে বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক পঠনপাঠন এবং ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যৎ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তবে এই আপত্তির পেছনে পঠনপাঠনের ক্ষতির চেয়েও বড় কারণ হলো সাধারণ মানুষের ক্ষোভ বা জনরোষের আশঙ্কা। আন্দোলনকারী বিএলও-দের দাবি, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের বদলে আসা এই নতুন অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের ১২ পাতার যে ফর্ম রয়েছে, তা পূরণ করার পর স্ক্রুটিনি বা যাচাইকরণে বহু মহিলার নাম উপভোক্তা তালিকা থেকে বাদ পড়তে পারে। এর আগে ‘এসআইআর’ (SIR) বা বিশেষ পুনর্বিবেচনা সমীক্ষার অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষকরা দেখেছেন, সরকারি নিয়মে নাম বাদ গেলেই সাধারণ মানুষ ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং সমস্ত ক্ষোভ ও আক্রমণ সরাসরি এসে পড়ে মাঠপর্যায়ে কাজ করা বিএলও-দের উপর। বিক্ষুব্ধ শিক্ষকরা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, সরকারি ভুলের কারণে যদি কোনো গরিব মানুষ প্রকল্পের টাকা না পান, তবে গ্রামে ঢুকে আমাদেরই মার খেতে হবে। নিজেদের পেশাগত সম্মান ও শারীরিক নিরাপত্তার স্বার্থেই তাঁরা এই প্রকল্প থেকে দূরে থাকতে চান। উল্লেখ্য, ১ জুন থেকে রাজ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রকল্প চালু হওয়ার কথা থাকলেও বিএলও-দের এই গণ বয়কটের ডাকে মহকুমা জুড়েই প্রশাসনিক স্তরে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে. যদিও এ বিষয়ে প্রশাসনের শীর্ষ কর্তাদের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া বা সমাধানসূত্র মেলেনি।

খেলা

ইতিহাস সাত্ত্বিক-চিরাগের! প্রথমবার সিঙ্গাপুর ওপেনের ফাইনালে ভারত

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ ভারতীয় ব্যাডমিন্টনে এক সোনালী অধ্যায় লিখলেন সাত্ত্বিক সাইরাজ রাঙ্কি রেড্ডি এবং চিরাগ শেট্টি। সিঙ্গাপুর ওপেন সুপার ৭৫০ (Singapore Open Super 750) প্রতিযোগিতার পুরুষদের ডাবলস সেমিফাইনালে এক অবিশ্বাস্য জয় ছিনিয়ে নিলেন এই তারকা ভারতীয় জুটি। বিশ্ব র‍্যাঙ্কিংয়ের এক নম্বর এবং বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দক্ষিণ কোরিয়ান জুটি কিম ওন হো ও সিও সেউং জে-কে সরাসরি গেমে স্তব্ধ করে দিয়ে প্রথমবারের মতো এই প্রতিযোগিতার ফাইনালে পা রাখলেন তাঁরা। শনিবারের এই হাইভোল্টেজ সেমিফাইনাল ম্যাচটি ছিল চরম উত্তেজনার। কোর্টে চতুর্থ বাছাই সাত্ত্বিক-চিরাগ জুটি তাঁদের চিরপরিচিত আগ্রাসী ও ঠান্ডা মাথার দুর্দান্ত মিশ্রণ প্রদর্শন করেন। মাত্র ৫২ মিনিটের এক রুদ্ধশ্বাস ও কঠিন লড়াইয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার বিশ্বসেরা জুটিকে ২১-১৯, ২১-১৮ ফলে পরাজিত করেন ভারতীয় শাটলাররা। এই জয়ের ফলে খেতাব অর্জনের একেবারে শেষ ধাপে পৌঁছে গেলেন ‘ব্রাদার্স অব ডেস্ট্রাকশন’ নামে পরিচিত এই জুটি। ম্যাচের শুরু থেকেই দুই পক্ষের মধ্যে বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়ার মানসিকতা ছিল না. প্রথম গেমে এক সময়ে ৮-১৩ এবং পরে ১৩-১৭ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়েছিলেন সাত্ত্বিক ও চিরাগ। কিন্তু চাপের মুখেও স্নায়ুর নিয়ন্ত্রণ না হারিয়ে পর পর পয়েন্ট তুলে নিয়ে অসাধারণভাবে খেলায় ফেরেন তাঁরা। প্রথম গেমটি ২১-১৯ ব্যবধানে জিতে ম্যাচে লিড নেন ভারতীয়রা। দ্বিতীয় গেমেও লড়াই ছিল সমানে-সমানে, যেখানে ১১-১৪ পয়েন্টে পিছিয়ে পড়েও মাথা ঠান্ডা রেখে প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগ ভেঙে ম্যাচ পকেটে পুরে নেন সাত্ত্বিক-চিরাগ। এই ঐতিহাসিক জয়ের পর উচ্ছ্বসিত চিরাগ শেট্টি জানান, যখন আমরা পিছিয়ে ছিলাম, তখন নিজেদের ওপর ভরসা রেখেছিলাম। আমরা জানতাম ধৈর্য ধরে আমাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী খেললে ওরা কোনো এক সময়ে ভুল করতে বাধ্য। দক্ষিণ কোরিয়ান জুটির বিরুদ্ধে আগের দুটি সাক্ষাতেই হারতে হয়েছিল ভারতীয়দের, ফলে তৃতীয়বারের দেখায় এই প্রথম জয় তাঁদের আত্মবিশ্বাসকে বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। রবিবার ফাইনালে সাত্ত্বিক-চিরাগের সামনে ইন্দোনেশিয়ার ফাজার আলফিয়ান ও মুহাম্মদ শোহিবুল ফিকরি অথবা চিনের লিয়াং ওয়েই কেং এবং ওয়াং চাং জুটি।

আরও পড়ুন
ইতিহাস সাত্ত্বিক-চিরাগের! প্রথমবার সিঙ্গাপুর ওপেনের ফাইনালে ভারত