নিজস্ব প্রতিনিধি, রামপুরহাট: প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ুয়াদের ১০০ শতাংশ উপস্থিতি সুনিশ্চিত করতে এবং ড্রপআউট বা স্কুলছুট রোধে এক অভিনব পদক্ষেপ করল রামপুরহাট মহকুমা প্রশাসন। যে সমস্ত খুদে পড়ুয়ারা দিনের পর দিন স্কুলে যাচ্ছে না, অথবা মাঝপথেই পড়াশোনা ছেড়ে দিয়েছে, তাদের আবার মূল স্রোতে ফিরিয়ে আনাই এই অভিযানের মূল লক্ষ্য। প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, এই ধরনের পড়ুয়াদের চিহ্নিত করে সরাসরি তাদের বাড়িতে পৌঁছে যাবেন মহকুমা প্রশাসনের প্রতিনিধি ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। অভিযান সফল করতে আগামী ১ আগস্ট থেকে রামপুরহাট-১ ব্লকের খরুন পঞ্চায়েত এলাকায় একটি বিশেষ কর্মসূচি শুরু হচ্ছে। এই পঞ্চায়েতের অন্তর্গত ১৩টি প্রাথমিক স্কুলকে কেন্দ্র করে প্রথম দফায় এই ঝটিকা অভিযান চালানো হবে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে শিক্ষক ও আধিকারিকরা বোঝার চেষ্টা করবেন, ঠিক কী কারণে শিশুরা স্কুলবিমুখ হচ্ছে। আর্থিক অনটন, সচেতনতার অভাব নাকি অন্য কোনো পারিবারিক সমস্যা এর পেছনে রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হবে। প্রশাসনের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় শিক্ষক ও অভিভাবকরা। তাঁদের মতে, অনেক সময়ই অভিভাবকরা অসচেতনতার কারণে ছোট বাচ্চাদের নিয়মিত স্কুলে পাঠান না। আবার অনেক শিশুও খেলাধুলার ছলে স্কুল ফাঁকি দেয়। শিক্ষকরা নিজেরা ঘরে ঘরে গিয়ে বোঝালে অভিভাবকরা সচেতন হবেন এবং খুদে পড়ুয়ারাও আবার স্কুলমুখী হতে উৎসাহ পাবে। মহকুমা প্রশাসনের এক আধিকারিক জানান, "আমাদের লক্ষ্য একটাই, একটি শিশুও যেন শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত না হয়। শুধু নাম নথিভুক্ত করাই শেষ কথা নয়, তারা যাতে নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসে, তাও আমাদের দেখতে হবে। খরুন পঞ্চায়েতের এই পাইলট প্রজেক্ট সফল হলে, আগামীদিনে পুরো মহকুমা জুড়েই এই মডেল চালু করা হবে।" এই মানবিক ও প্রশাসনিক উদ্যোগ গ্রামীণ এলাকায় স্কুলছুটের সংখ্যা একধাক্কায় অনেকটাই কমিয়ে আনবে বলে আশা করছে ওয়াকিবহাল মহল।
নিজস্ব প্রতিনিধি: চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসে পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ভারতীয় ক্রিকেট দলের বাংলাদেশ সফর নিয়ে অত্যন্ত আশাবাদী বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (BCB) নবনির্বাচিত সভাপতি তামিম ইকবাল। দুই দেশের ক্রিকেটীয় ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির টানাপোড়েনের মাঝে এই দ্বিপাক্ষিক সিরিজ়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হলেও, বিসিবি হাল ছাড়তে নারাজ। ভারতীয় ক্রিকেট নিয়ামক সংস্থা বিসিসিআই-এর (BCCI) সঙ্গে এই বিষয়ে ইতিবাচক আলোচনা চলছে বলে বোর্ড সূত্রে জানানো হয়েছে। এফটিপির (FTP) সূচি অনুযায়ী, আগামী সেপ্টেম্বর মাসে বাংলাদেশের মাটিতে ভারতের তিনটি একদিনের ম্যাচ এবং তিনটি টি-টোয়েন্টি খেলার কথা রয়েছে। তবে পদ্মাপারে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পটপরিবর্তন এবং নিরাপত্তার অজুহাতে ভারতের আসা নিয়ে ক্রিকেট মহলে দীর্ঘ জল্পনা চলছে। এই প্রসঙ্গে মুখ খুলে বিসিবি প্রধান তামিম ইকবাল বলেন, "ভারত সিরিজ নিয়ে আমরা বিসিসিআই-কে ইমেল পাঠিয়েছি। বাংলাদেশ এখন ক্রিকেট খেলার জন্য একটি অত্যন্ত নিরাপদ দেশ। আমরা সবরকম ভাবে চেষ্টা করছি যাতে রোহিত-বিরাটরা এ দেশে খেলতে আসেন।"