সর্বশেষ খবর
জনগণনার মহড়া শান্তিনিকেতনে, শুরু এলাকা নির্ধারণ
প্রকাশিত: ৩১ জুলাই, ২০২৬
বোলপুর: আসন্ন দেশব্যাপী ডিজিটাল জনগণনা ২০২৭-এর প্রস্তুতি ঘিরে সাজসাজ রব বীরভূমে। সেই কর্মযজ্ঞের অংশ হিসেবেই বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হয়ে গেল প্রাথমিক পর্বের এলাকা নির্ধারণের কাজ। এদিন বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরের বিভিন্ন এলাকার ভৌগোলিক সীমানা সরেজমিনে যাচাই করে দেখেন সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরা। বীরভূম জেলা প্রশাসন এবং বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষের যৌথ উদ্যোগে এই গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক প্রক্রিয়াটি চালানো হচ্ছে।
প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বসবাসকারী আবাসিকদের প্রকৃত সংখ্যা এবং নিখুঁত ভৌগোলিক মানচিত্র তৈরি করতেই এই যৌথ পরিদর্শনের সিদ্ধান্ত। এদিন যাচাই পর্ব শেষ হওয়ার পর নির্ধারিত এলাকার সমস্ত তথ্য ও ডিজিটাল সীমানা সরকারি পোর্টালে আপলোড করার কাজ শুরু হয়েছে। মূলত আগামী ১ আগস্ট থেকে দেশজুড়ে শুরু হতে চলা স্বগণনা (সেল্ফ ইনিউমারেশন) পর্বের ব্লুপ্রিন্ট তৈরি করতেই এই তৎপরতা। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বাসিন্দারা নিজেরাই ডিজিটাল পোর্টালে নিজেদের তথ্য নথিভুক্ত করতে পারবেন।
বিশ্বভারতী চত্বরে শিক্ষক, অশিক্ষক কর্মী, গবেষক এবং তাঁদের পরিবার মিলিয়ে প্রায় দুই হাজারেরও বেশি মানুষের বসবাস। এই বিপুল জনসংখ্যার তথ্য যাতে সম্পূর্ণ নির্ভুলভাবে সংগ্রহ করা যায়, তার জন্য এবার এক অভিনব কৌশল নিয়েছে জেলা প্রশাসন। ক্যাম্পাসের ভেতরে বাইরের কোনো গণনাকর্মী পাঠানোর পরিবর্তে, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ৫ থেকে ৮ জন কর্মীকে প্রশিক্ষণ দিয়ে এই জনগণনার কাজে নামানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। পরিচিত পরিবেশে নিজেদের কর্মীরা থাকলে তথ্য সংগ্রহ যেমন সহজ হবে, তেমনই শান্তিনিকেতনের নিজস্ব নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক পরিবেশও বজায় থাকবে। প্রশাসনের এই সমন্বিত পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন আশ্রমিকদের একাংশ।

