বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
সর্বশেষ খবর

ভোর রাতে স্ত্রীর সঙ্গে মিলন স্বাস্থ্যকর

প্রকাশিত: ৩ আগস্ট, ২০২৬
ভোর রাতে স্ত্রীর সঙ্গে মিলন স্বাস্থ্যকর
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধি: দৈনন্দিন জীবনের ব্যস্ততা, কাজের চরম চাপ এবং মানসিক ক্লান্তির জেরে বর্তমান যুগে বহু দম্পতির মধ্যেই পারস্পরিক দূরত্বের ছবি চোখে পড়ে। তবে আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞান ও মনস্তাত্ত্বিকদের মতে, সুপ্ত দাম্পত্য সম্পর্ককে নতুন করে চাঙ্গা রাখতে এবং শরীরকে চটজলদি চনমনে করে তুলতে ভোর রাতের শারীরিক মিলন ম্যাজিকের মতো কাজ করতে পারে। সাধারণত দিনের অন্য সময়ের তুলনায় ভোর বেলা বা ভোরের আলো ফোটার ঠিক আগের মুহূর্তটি যেকোনো দম্পতির ব্যক্তিগত সম্পর্কের গভীরতা বাড়াতে অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা নেয় বলে গবেষণায় উঠে এসেছে।

চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের একাংশের ব্যাখ্যা, দীর্ঘ রাতের ঘুমের পর ভোর রাতে মানুষের শরীর ও মন দুই-ই সম্পূর্ণ সতেজ এবং চাপমুক্ত থাকে। এই সময়ে মানবদেহে বিশেষ কিছু হরমোনের ক্ষরণ প্রাকৃতিক নিয়মেই অনেক বৃদ্ধি পায়, যা পরোক্ষভাবে মানুষের মেজাজ বা ‘মুড’ ভালো রাখতে সাহায্য করে। ভোর রাতের এই মিলন শরীরে রক্ত সঞ্চালনের গতি বাড়ায় এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। শুধু তাই নয়, এটি এক ধরনের স্বাভাবিক ব্যায়ামের মতো কাজ করে, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতেও পরোক্ষভাবে সহায়ক।
মনস্তাত্ত্বিকদের মতে, ভোর রাতে সঙ্গীর কাছাকাছি আসার এই অভ্যাস সারাদিনের কাজের ক্লান্তি ও মানসিক অবসাদ দূর করার অন্যতম সেরা দাওয়াই। এর ফলে স্বামী-স্ত্রীর পারস্পরিক বোঝাপড়া ও আত্মিক টান আরও গভীর হয়। সকালের শুরুটা যদি এমন আনন্দঘন এবং ইতিবাচক অনুভূতির মধ্য দিয়ে হয়, তবে তার প্রভাব সারাটা দিন কাজের ওপর বজায় থাকে। তবে চিকিৎসকরা মনে করিয়ে দিচ্ছেন, জোর করে নয়, বরং এই অভ্যাস গড়ে তোলার জন্য দু’জনেরই মানসিক সহমত ও শারীরিক সুস্থতা থাকা সবচেয়ে জরুরি। পারস্পরিক সম্পর্কের উষ্ণতা টিকিয়ে রাখতে এই ছোট পরিবর্তন দাম্পত্য জীবনকে আরও মধুর করে তুলতে পারে।

আরও খবর