বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
অবকাশ

গরমে ঘুরে আসুন এই অফবিট জায়গায়

প্রকাশিত: ২০ মে, ২০২৬
গরমে ঘুরে আসুন এই অফবিট জায়গায়
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ দার্জিলিং ঘুরেছেন বহুবার। কিন্তু এই অফবিট জায়গাগুলিতে কখনও  সময় কাটিয়েছেন? অন্য রকম স্বাদ পেতে একবার ঘুরে আসতেই পারেন - 

তিলচুলে: এটি নির্জন গ্রাম। সকালে ঘুম ভাঙাবে কাঞ্চনজঙঘা। শুনতে পাবেন তিস্তার কুলকুল আওয়াজ। চা বাগানে বসে থাকতে থাকতে চোখে পড়বে নাম না জানা নানা ফুল। দার্জিলিং থেকে ১২ কিলোমিটার দূরে।
লেবং - দার্জিলিং শহরে না থেকে রাত্রিবাসের জন্য বেছে নিতে পারেন লেবং।
দার্জিলিং শহরে না থেকে রাত্রিবাসের জন্য বেছে নিতে পারেন লেবং। শহর থেকে মাত্র ৬-৭ কিলোমিটার দূর লেবং যেন প্রকৃত অর্থেই শান্তির ঠিকানা। বড় বড় হোটেল এখনও সবুজ উপত্যকার সৌন্দর্য নষ্ট করেনি। গড়ে উঠেছে একাধিক সুন্দর হোম স্টে। লেবং থেকে মেঘ-কুয়াশার খেলা, পাহাড়, প্রকৃতি এখন অনেক সুন্দর ভাবে উপভোগ করা যায়। একেবারে নিজের মতো সময় কাটানোর জন্য এই জায়গা যেন আদর্শ। লেবং থেকে খুব সহজেই ঘুরে নিতে পারেন দার্জিলিং শহরের দর্শনীয় স্থান বাতাসিয়া লুপ, ঘুম মনাস্ট্রি, হ্যাপি ভ্যালি চা-বাগান-সহ অন্যান্য জায়গা। দিনভর শহর ঘুরে বিকালেই ফিরে আসতে পারেন লেবং। আবার দার্জিলিং শহর এড়াতে চাইলেও লেবংয়ে থাকা চলে। লেবংয়ের পাহাড়ি পথে হাঁটলে ঘন সবুজ চা-বাগিচা, মেঘের দল আহ্বান জানাবে। স্বাগত জানাবে পাখিরা।

তাবাকোশি: প্রকৃতির সঙ্গে খুব কাছ থেকে উপভোগ করতে চাইলে গন্তব্য হতে পারে তাবাকোশি।
প্রকৃতির সঙ্গে খুব কাছ থেকে উপভোগ করতে চাইলে গন্তব্য হতে পারে তাবাকোশি।
মিরিকের কাছে গোপালধারা চা-বাগান থেকে কিছুটা দূরেই তাবাকোশি যেমন সবুজের গালিচা পাতা কোনও উপত্যকা। দার্জিলিং থেকে দূরত্ব ৩৫ কিলোমিটারের মতো। সামনেই রয়েছে রংভাং নামে ছোট গ্রাম। শান্ত নিরালা পরিবেশ যাঁরা পছন্দ করেন এই জায়গা যেন তাঁদেরই জন্য। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে উচ্চতা ৩৮০০ ফুট। তাই বসন্ত বা গরমকালে আবহাওয়া এখানে থাকে ফুরফুরে। হাঁটাপথেই ঘুরে দেখা যায় চা-বাগিচা। সামনে দিয়ে বয়ে গিয়েছে রংভাঙ নদী। এখানে গেলে পাহাড়ের সৌন্দর্যের সঙ্গে চোখে পড়বে পাইন আর বার্চের সমাহার। জোড়পোখরি, লেপচাজগৎ, পশুপতি মার্কেটও ঘুরে নিতে পারেন।
সামনেই পাহাড়, বয়ে চলেছে নদী।

আরও অবকাশ খবর