বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
সর্বশেষ খবর

রাজ্যে জুলাই থেকেই বসছে স্মার্ট মিটার

প্রকাশিত: ১ জুন, ২০২৬
রাজ্যে জুলাই থেকেই বসছে স্মার্ট মিটার
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ আগামী জুলাই মাস থেকেই রাজ্যজুড়ে শুরু হতে চলেছে স্মার্ট মিটার বসানোর পরবর্তী ধাপের কাজ। এই নতুন দফার কাজের ফলে পশ্চিমবঙ্গের প্রায় দুই কোটি বিদ্যুৎ গ্রাহক এই অত্যাধুনিক ব্যবস্থার আওতায় আসতে চলেছেন। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ মন্ত্রী মনোহর লাল তাঁর রাজ্য সফরকালে কলকাতার বিদ্যুৎ ও নগরোন্নয়ন দপ্তরের একটি উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা বৈঠকে এই বড় ঘোষণাটি করেছেন।

নবান্ন ও বিদ্যুৎ দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, এই বিশাল কর্মকাণ্ড একবারে না করে কয়েকটি নির্দিষ্ট ধাপে সম্পন্ন করা হবে। বৈঠক শেষে বিদ্যুৎ দপ্তরের কর্তারা জানিয়েছেন, প্রথম দফায় রাজ্যের সমস্ত সরকারি অফিস, বড় আবাসন এবং বাণিজ্যিক ক্যাম্পাসগুলিতে এই নতুন স্মার্ট মিটার বসানো হবে। এই ধাপটি সফলভাবে শেষ হওয়ার পর শুরু হবে দ্বিতীয় ধাপের কাজ। সেখানে যে সমস্ত বড় গ্রাহক বা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহার করেন, তাঁদের এই পরিষেবার আওতায় আনা হবে। আর সব শেষে, ধাপে ধাপে রাজ্যের সমস্ত সাধারণ গৃহস্থ ও সাধারণ মানুষের বাড়িতে এই মিটার বসানোর কাজ সম্পূর্ণ করা হবে। গ্রাহকেরা তাঁদের সুবিধা মতো প্রিপেইড (আগে টাকা ভরা) বা পোস্টপেইড (ব্যবহারের পর বিল মেটানো)- যে কোনও একটি ব্যবস্থা বেছে নিতে পারবেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই প্রকল্পে প্রতিটি স্মার্ট মিটারের জন্য কেন্দ্র সরকার ৯০০ টাকা করে ভর্তুকি দেবে। আর মিটার বসানোর খরচ হিসেবে গ্রাহকদের মাসে আনুমানিক ১০০ টাকা করে দিতে হবে।
বিদ্যুৎ বিশেষজ্ঞদের মতে, এই স্মার্ট মিটার ব্যবস্থা চালু হলে সাধারণ গ্রাহক এবং বিদ্যুৎ দপ্তর—উভয় পক্ষই লাভবান হবে। এই মিটারের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, এর মাধ্যমে গ্রাহকেরা প্রতি মুহূর্তে জানতে পারবেন তাঁরা ঠিক কত টাকার বিদ্যুৎ খরচ করছেন। ফলে বিদ্যুৎ অপচয় অনেকটাই কমবে। পাশাপাশি, প্রিপেড বা পোস্টপেড রিচার্জের সুবিধা থাকায় বিদ্যুৎ বিল নিয়ে গ্রাহকদের দীর্ঘদিনের নানা অভিযোগের চিরতরে অবসান ঘটবে। অন্যদিকে, বিদ্যুৎ দপ্তরের ক্ষেত্রেও বিলিংয়ের ভুলভ্রান্তি এবং বিদ্যুৎ চুরির মতো সমস্যা পুরোপুরি রোখা সম্ভব হবে।
কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের এই যৌথ উদ্যোগে রাজ্যে বিদ্যুৎ পরিষেবার পরিকাঠামো অনেকটাই বদলে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। জুলাই মাস থেকে এই কাজ শুরু করার জন্য ইতিমধ্যেই বিদ্যুৎ দপ্তরের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও সমীক্ষার কাজ জোরকদমে শুরু করে দেওয়া হয়েছে।

আরও খবর