বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
রাশিফল

আঙুলের গঠনই কি ভাগ্যের চাবিকাঠি? 

প্রকাশিত: ১৫ মে, ২০২৬
আঙুলের গঠনই কি ভাগ্যের চাবিকাঠি? 
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধি: প্রবাদে আছে 'চোখ মনের আয়না', কিন্তু জ্যোতিষ শাস্ত্র বা বিশেষত সমুদ্রশাস্ত্র অনুযায়ী একজন মানুষের হাতের আঙুলের গঠন তাঁর ব্যক্তিত্ব, মানসিকতা এবং ভবিষ্যতের এক নিখুঁত মানচিত্র তুলে ধরতে পারে। হস্তরেখাবিদদের মতে, আঙুলের দৈর্ঘ্য, ঘনত্ব এবং আকৃতি বিচার করে কোনো ব্যক্তির আর্থিক অবস্থা থেকে শুরু করে তাঁর চারিত্রিক গুণাগুণ পর্যন্ত নির্ধারণ করা সম্ভব। 

জ্যোতিষ মতে হাতের প্রতিটি আঙুল একেকটি গ্রহের শক্তি বহন করে। তর্জনী হল বৃহস্পতির প্রতীক যা নেতৃত্ব ও উচ্চাকাঙ্ক্ষা বোঝায়। মধ্যমা শনির কারক যা শৃঙ্খলা ও বিচারবুদ্ধি নির্দেশ করে। অনামিকা রবির (সূর্য) প্রতিনিধি যা যশ, শিল্প ও আবেগের সূচক এবং কনিষ্ঠা বুধের প্রতীক হিসেবে বুদ্ধিমত্তা ও ব্যবসায়িক দক্ষতার পরিচয় দেয়। বুড়ো আঙুল বা বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠকে ইচ্ছাশক্তি ও ব্যক্তিত্বের মেরুদণ্ড হিসেবে ধরা হয় । 
তর্জনী (Index Finger): তর্জনী যদি স্বাভাবিকের চেয়ে লম্বা হয়, তবে সেই ব্যক্তি অত্যন্ত উচ্চাকাঙ্ক্ষী এবং জন্মগতভাবে সুশাসক হন। এই আঙুল ছোট হলে ব্যক্তি সাধারণত অন্যের নির্দেশ মেনে চলতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন । 
মধ্যমা (Middle Finger): মধ্যমা যদি সোজা ও লম্বা হয়, তবে ব্যক্তি অত্যন্ত বাস্তববাদী ও দায়িত্বশীল হন। তবে এটি অতিরিক্ত লম্বা হলে জাতকের স্বভাবে বিষাদ বা একাকীত্ব আসতে পারে। 
অনামিকা (Ring Finger): অনামিকার দৈর্ঘ্য যদি তর্জনীর চেয়ে বেশি হয়, তবে ব্যক্তি ঝুঁকি নিতে ভালোবাসেন এবং অত্যন্ত সৃজনশীল হন। 
কনিষ্ঠা (Little Finger): কনিষ্ঠা আঙুলটি যদি অনামিকার প্রথম পর্ব ছাপিয়ে যায়, তবে ব্যক্তির বাকপটুতা ও বুদ্ধিমত্তা তাঁকে কর্মক্ষেত্রে উচ্চ পদে আসীন করতে সাহায্য করে। 
সামুদ্রিক শাস্ত্র অনুযায়ী, যাদের আঙুলগুলি লম্বা ও সুগঠিত, তারা সাধারণত শিল্পমনা এবং ধৈর্যশীল হন। অন্যদিকে, আঙুল যদি খাটো ও স্থূল হয়, তবে সেই ব্যক্তি অলস বা কিছুটা স্বার্থপর প্রকৃতির হতে পারেন। আঙুলের অগ্রভাগ সরু হলে ব্যক্তি তীক্ষ্ণ মেধাসম্পন্ন হন। আবার যদি আঙুলগুলি জোড়া লাগালে কোনো ফাঁক না থাকে, তবে সেই ব্যক্তি ধনবান ও মিতব্যয়ী হন বলে মনে করা হয়। বিপরীতে আঙুলের মাঝে ফাঁক থাকলে তা আর্থিক সংকটের ইঙ্গিত দেয়। 
আঙুলের গাঁটগুলো যদি বেশি স্পষ্ট বা স্ফীত হয়, তবে সেই ব্যক্তি দার্শনিক এবং গভীর চিন্তাশীল হন। আঙুলে তিল বা কোনো অশুভ চিহ্ন থাকলে জ্যোতিষীরা সংশ্লিষ্ট গ্রহের প্রতিকারের পরামর্শ দেন। যেমন কনিষ্ঠায় সমস্যা থাকলে গণেশ পূজা বা অনামিকার জন্য সূর্য দেবের আরাধনা করার বিধান রয়েছে।
আধুনিক যুগে এই বিদ্যাকে অনেকে মনোবিজ্ঞানের সাথেও তুলনা করেন। তবে প্রাচীন ভারতীয় এই শাস্ত্র আজও লক্ষ লক্ষ মানুষের কাছে নিজের স্বরূপ চেনার এক অন্যতম মাধ্যম। যদিও এই বিষয়ে বিস্তারিত জানতে অভিজ্ঞ ব্যক্তির পরামর্শ নেওয়ার অনুরোধ করা হচ্ছে।