বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
জেলা

ব্যাপক গরমে নাভিশ্বাস

প্রকাশিত: ২০ মে, ২০২৬
ব্যাপক গরমে নাভিশ্বাস
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ গরমে নাভিশ্বাস শিল্পাঞ্চলের। রোদ উঠছে চড়চড়িয়ে। বাড়ছে তাপমাত্রা। শুধু দিনের বেলা নয়, রাতেও স্বস্তি নেই। বাতাসে অত্যধিক জলীয় বাষ্পের কারণে তৈরি হয়েছে চরম অস্বস্তিকর ভ্যাপসা গরম। বেলা গড়ালেই রাস্তাঘাট হয়ে যাচ্ছে জনশূন্য।  

রবিবার আসানসোল, পানাগড়ের তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি ছুঁয়েছিল। প্রখর তাপ তো আছেই সঙ্গে দোসর আর্দ্রতা। ভ্যাপসা গরমে প্রাণান্তকর পরিস্থিতি আসানসোল, বরাকর, কুলটি, রানিগঞ্জ, দুর্গাপুর সহ পানাগড়, মানকর এলাকার বাসিন্দাদের। এদিন আসানসোল বাজার, কুলটি বাজারে ভিড় হালকা দেখা গেল। সকাল দশটার পর থেকে কার্যত ফাঁকা হতে শুরু করছে বাজার। বেলা বারোটার দিকে খদ্দের নেই দেখে দোকানও বন্ধ করে দিচ্ছেন মালিকদের একাংশ। দুপুর বারোটার পর প্রায় জনমানবহীন বাজার এলাকা। যে কয়েকটি দোকান খোলা রয়েছে, তাদের অধিকাংশই কার্যত ফাঁকা। তবে ঠান্ডা পানীয় বা আখের রসের দোকানে ভিড় জমতে দেখা গিয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন সংস্থা থেকে জলসত্র খোলা হয়েছে। সেখানেও বহু মানুষকে দেখা গেল ঠান্ডা জলে চুমুক দিতে। আসানসোলের বাসিন্দা পেশায় শিক্ষিকা কল্পনা সেনগুপ্ত বলেন, গরমের জন্য স্কুলে ছুটি দিয়েছে। সূর্যের তেজ থেকে বাঁচতে দরজা-জানালা বন্ধ করে রাখছি। তবে কিছুক্ষণ বাইরে কাটালেই  প্রবল ঘামের জন্য ক্লান্তি  তৈরি হচ্ছে। গায়ে যেন সূচ ফোটাচ্ছে গরম বাতাস। 
দুর্গাপুরেও একই পরিস্থিতি দেখা গেল। বেলা বাড়ার সঙ্গে ভিড় কমল রাস্তায়। দুর্গাপুরের বাসিন্দা অপর্ণা সরকার বলেন, ব্যাপক গরম। বাড়ির কাজ, রান্নাবান্না করতেই হাঁফিয়ে উঠছি। মায়ের অপারেশনের জন্য বাইরে বেরিয়ে টোটো, অটো পেতে সমস্যা হচ্ছে। বেলা বাড়লে রাস্তায় টোটোর সংখ্যা কমে যাচ্ছে। এদিন সিটি সেন্টার এলাকায় দেখা গেল দূরপাল্লার বা টাউন সার্ভিস প্রায় সব বাসেই ভিড় কম। তবে বেশ কয়েকটি বেসরকারি স্কুলে এখনও গরমের ছুটি পড়েনি বলে দাবি অভিভাবকদের।       
কাঁকসার মূল বাণিজ্যকেন্দ্র পানাগড় বাজার। কিন্তু গরমের জন্য বাজার এখন ফাঁকা। পানাগড়ের বাসিন্দা বাপি সেন বলেন, এবার গ্রীষ্মের শুরুটা মন্দ হয়নি। মাঝে তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি সহ্য করতে হয়েছে ঠিকই। কিন্তু ঝড়, বৃষ্টি হওয়ায় সে ভাবে একটানা গরমও সহ্য করতে হয়নি। কিন্তু গত কয়েকদিন ধরে সেই আবহাওয়ায় ইতি হয়েছে। পানাগড়ের দার্জিলিং মোড়ের এক দোকানদার বলেন, গরমের জন্য দোকানে ভিড় অনেক কমে গিয়েছে। ব্যবসায় প্রভাব পড়ছে। তাপ না কমলে মানুষ বাইরে বেরোচ্ছেন না। ফলে সকালের পর আবার সন্ধ্যার দিকে ক্রেতারা আবার আসছেন। 
চিকিৎসক অশোক গোস্বামী বলেন, গরমে পর্যাপ্ত পরিমাণে জল খেতে হবে। সকালের দিকে কাজ সেরে নিতে হবে। মাথায় ছাতা, চোখে সানগ্লাস অবশ্যই ব্যবহার করতে হবে। মাথা ঘোড়া, বমি ভাব এরকম শরীর খারাপ বুঝলে কাজ বন্ধ রেখে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। সহজপাচ্য খাবার পেট ভরে যেন না খাওয়া হয় সেদিকে নজর রাখতেই হবে।

আরও জেলা খবর