বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
জেলা

পারিবারিক অশান্তির জেরে বাবাকে ‘খুন’, মায়ের অভিযোগে গ্রেপ্তার তৃণমূলের শ্রমিক নেতা

প্রকাশিত: ২৮ মে, ২০২৬
পারিবারিক অশান্তির জেরে বাবাকে ‘খুন’, মায়ের অভিযোগে গ্রেপ্তার তৃণমূলের শ্রমিক নেতা
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বালুরঘাট শহরে পারিবারিক অশান্তির জেরে এক বৃদ্ধের মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্যকর মোড়। ঘটনার প্রায় চার মাস পর, আত্মগোপন করে থাকা শাসকদল তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠন ‘আইএনটিটিইউসি’ (INTTUC)-র এক প্রভাবশালী নেতাকে মালদা থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বালুরঘাট শহরজুড়ে ব্যাপক উত্তেজনা এবং রাজনৈতিক চাপানউতোর তৈরি হয়েছে। 

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত যুবকের নাম আবির গোস্বামী। তিনি বালুরঘাট শহরের ২১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা এবং তৃণমূল কংগ্রেসের শ্রমিক সংগঠনের সক্রিয় পদাধিকারী ছিলেন। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে তাঁর বাবার মৃত্যুর পর থেকেই তিনি পলাতক ছিলেন। বালুরঘাট থানার পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে প্রতিবেশী জেলা মালদাতে অভিযান চালিয়ে অবশেষে তাঁকে জালে তোলে।
তদন্তকারী আধিকারিকদের ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার সূত্রপাত গত ২ ফেব্রুয়ারি গভীর রাতে। বালুরঘাটের বাড়িতে পারিবারিক কোনো বিষয় নিয়ে আবির গোস্বামীর সঙ্গে তাঁর বাবার তীব্র বচসা ও অশান্তি শুরু হয়। অভিযোগ, ঝগড়া চলাকালীন চরম উত্তেজনার বশে আবির তাঁর বৃদ্ধ বাবাকে সজোরে ধাক্কা মেরে মেঝেতে ফেলে দেন। মাটিতে পড়ে গিয়ে মাথায় গুরুতর আঘাত পান ওই বৃদ্ধ।
আশঙ্কাজনক অবস্থায় বৃদ্ধকে প্রথমে বালুরঘাট জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে কলকাতায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। কলকাতায় কিছুটা সুস্থ বোধ করায় তাঁকে বাড়িতে ফিরিয়ে আনা হয়, কিন্তু আচমকা ৭ ফেব্রুয়ারি তিনি আবারও মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়েন। এরপর ৯ ফেব্রুয়ারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। স্বামীর মৃত্যুর পরেই মৃতের স্ত্রী অর্থাৎ ধৃত নেতার মা নিজের ছেলের বিরুদ্ধে থানায় খুনের লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
মায়ের তরফে এফআইআর (FIR) দায়ের হওয়ার খবর পেতেই এলাকা ছেড়ে চম্পট দেন তৃণমূল নেতা আবির। পুলিশ তাঁর খোঁজে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছিল। দীর্ঘ চার মাস পর গত মঙ্গলবার গভীর রাতে মালদা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে বালুরঘাট থানার পুলিশ। বুধবার ধৃত অভিযুক্তকে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা আদালতে পেশ করা হলে বিচারক তাঁর জামিনের আবেদন নাকচ করে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন। সরকারি আইনজীবী সঞ্জয় বিশ্বাস জানান, আগামী ৯ জুন ফের আদালতে তোলা হবে অভিযুক্তকে।

আরও জেলা খবর