বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
সর্বশেষ খবর

রাজধানীতে বড়সড় নাশকতার ছক বানচাল! ৯ জন গ্রেপ্তার

প্রকাশিত: ৩১ মে, ২০২৬
রাজধানীতে বড়সড় নাশকতার ছক বানচাল! ৯ জন গ্রেপ্তার
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল দেশজুড়ে একটি ভয়াবহ জঙ্গি হামলার চক্রান্ত ব্যর্থ করে দিয়েছে। গত বছর ১০ নভেম্বরের লালকেল্লার কাছে গাড়ি বিস্ফোরণের ঘটনার ক্ষত এখনও দেশবাসীর মনে তাজা। সেই ঘটনার ছ’মাসের মাথায় শনিবার রাজধানী দিল্লি, মুম্বই এবং দেশের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলিতে একযোগে বড়সড় নাশকতার এই ছক ফাঁস হলো। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অপরাধে পুলিশ মোট ৯ জন সন্দেহভাজন জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করেছে। ধৃত জঙ্গিদের মূল টার্গেট ছিল দেশের অত্যন্ত স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামোগুলো সম্পূর্ণ ধ্বংস করা।
 গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, তারা মূলত দেশের বিভিন্ন বিমানবন্দর, প্রধান রেল স্টেশন, পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং গুরুত্বপূর্ণ বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রগুলিতে আত্মঘাতী ও ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটানোর পরিকল্পনা করেছিল। এছাড়া দিল্লির নিরাপত্তা বাহিনী, গুরুত্বপূর্ণ সরকারি মন্ত্রক ও ধর্মীয় স্থানগুলির ওপর হামলার দায়িত্বও দেওয়া হয়েছিল এই মডিউলটিকে।

তদন্তকারী কর্মকর্তাদের দাবি, এই গোটা ষড়যন্ত্রের নেপথ্যে রয়েছে পাকিস্তানের কুখ্যাত গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই (ISI). তবে সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, এই নাশকতার জাল ছড়াতে পাকিস্তানের হ্যান্ডলাররা হাত মিলিয়েছিল ভারতের আন্ডারওয়ার্ল্ডের সঙ্গে। ধৃত ৯ জন অপরাধীই সরাসরি 'ডি-কোম্পানি' অর্থাৎ পলাতক আন্ডারওয়ার্ল্ড ডন দাউদ ইব্রাহিমের গ্যাংয়ের সঙ্গে জড়িত। ধৃতদের মধ্যে কয়েকজন দিল্লি, পাঞ্জাব ও মহারাষ্ট্রের বাসিন্দা এবং এর মধ্যে কয়েকজন বিদেশী নাগরিকও রয়েছে বলে জানা গেছে।

গোপন সূত্রে খবর পেয়ে দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল নিখুঁত অভিযান চালিয়ে এদেরকে পাকড়াও করে। ধৃতদের হেফাজত থেকে বিপুল পরিমাণ অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র, হ্যান্ড গ্রেনেড এবং মারাত্মক বিস্ফোরক সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ একটি সচল গ্রেনেড উদ্ধার করে সেটিকে নিষ্ক্রিয়ও করেছে।
 প্রাথমিক জেরায় জানা গেছে, এই চক্রটি এনক্রিপ্টেড সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপের মাধ্যমে সীমান্ত পারের হ্যান্ডলারদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখত। এই বড়সড় চক্রটি ধরা পড়ার পর দিল্লি, মুম্বই সহ দেশের সমস্ত মেট্রো শহর ও গুরুত্বপূর্ণ রেলস্টেশনে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। এই মডিউলের পেছনে আর কারা রয়েছে, স্থানীয় স্তরে কারা এদের সাহায্য করছিল এবং হামলার জন্য কোথা থেকে অর্থ আসছিল (টেটের ফান্ডিং), তা জানতে পুলিশ এখন ধৃতদের কড়া জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। 
কীভাবে এই নেটওয়ার্ক শহরের নানা প্রান্তে কাজ করত, তা জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা।

আরও খবর