বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
হট টপিক

হাইমাস্ট লাইটে তৃণমূলের দুর্নীতির অভিযোগ তুলে সরব বিজেপি

প্রকাশিত: ২৮ মে, ২০২৬
হাইমাস্ট লাইটে তৃণমূলের দুর্নীতির অভিযোগ তুলে সরব বিজেপি
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ রাস্তার অন্ধকার দূর করতে সাংসদের তহবিল থেকে কাঁকসার গোপালপুর পঞ্চায়েত এলাকায় লাগানো হয়েছিল সৌরশক্তি চালিত হাইমাস্ট লাইট। অভিযোগ, সাংসদ তহবিলের খরচের হিসাব লাগানো পুরনো বোর্ড সরিয়ে লাগানো হয়েছে কাঁকসা পঞ্চায়েত সমিতির তহবিলের খরচের বোর্ড। লাইটের জন্য খরচের পুরো টাকা তৃণমূলের নেতারা আত্মসাৎ করেছে বলে দাবি অন্য দলের নেতাদের। যদিও সেই অভিযোগ মানেনি গোপালপুর পঞ্চায়েতের উপ-প্রধান গনেশ মন্ডল। তিনি তদন্তের দাবি করেছেন। 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোপালপুর পঞ্চায়েতের পশ্চিমপাড়ায় সাড়ে ৩ লক্ষ টাকা খরচ করে হাইমাস্ট লাইট লাগানো হয়েছিল। বর্ধমান-দুর্গাপুরের প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ সুরেন্দ্র সিং আহলুওয়ালিয়া এমপি ফান্ড থেকে ওই খরচ করা হয়েছিল। বোর্ডে উল্লেখ ছিল, ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে এই কাজ হয়েছে। কিন্তু পরে দেখা যায় পাল্টে গিয়েছে বোর্ড। তাতে লেখা কাঁকসা পঞ্চায়েত সমিতি পঞ্চম স্টেস্ট ফিনান্সিয়াল কমিশনের টাকায় এই কাজ করেছে। খরচ হয়েছে সাড়ে তিন লক্ষ টাকা। একই অর্থবর্ষের উল্লেখ রয়েছে। 
স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, রাতারাতি বোর্ডের পরিবর্তন করা হয়েছে। দ্বিতীয়বার বোর্ড লাগিয়ে পুরো টাকারই দুর্নীতি হয়েছে। সরকারি টাকা এভাবে নয়ছয় কেন করা হবে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন তাঁরা। কংগ্রেস নেতা পূরব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মানুষের ট্যাক্সের টাকাকে এভাবে অপচয় করা হয়েছে। যদি প্রকৃত উন্নয়নের ইচ্ছা থাকত তাহলে একই লাইটকে বারবার দেখিয়ে টাকা না তুলে অন্য জায়গায় লাইট বসানো যেত। আমাদের ব্লকে বহু গ্রাম রয়েছে সন্ধ্যা নামলেই অন্ধকারে ডুবে যায়। সেখানে লাইট লাগালে বহু মানুষের উপকার হত। ঘটনার তদন্তের দাবি করছি। 
বিজেপি নেতা শুভাশিষ মুখোপাধ্যায় বলেন, খবরটা শুনেছি। আহলুওয়ালিয়াজি যে হাইমাস্ট লাইট লাগিয়েছিলেন সেটাই আবার রাজ্যের সরকারি স্কিম দিয়ে পয়সা তোলা হয়েছে। কিন্তু এটা নতুন ঘটনা নয়। ব্লকের বহু গ্রামেই এই উদাহরণ দেখতে পাওয়া যাবে। তৃণমূলের নেতারা আর্থিক ভাবে ফুলেফেঁপে উঠেছে। আর গ্রামের লোকেরা কষ্টা পেয়েছে। তদন্ত হবে।  
বিষয়টি নিয়ে গনেশবাবু বলেন, হাইমাস্ট লাইট যখন লাগানো হয় তখন সাংসদের নামে বোর্ড লাগানো ছিল। আমিও দেখেছি। হঠাৎ শুনছি সেখানে পঞ্চায়েত সমিতির নামে বোর্ড। কখন এই বোর্ড লাগানো হয়েছে তা জানি না। এর সঙ্গে গোপালপুর পঞ্চায়েত কোনভাবেই জড়িত নয়। আমরাও অন্ধকারে রয়েছি। দুর্নীতি হয়েছে না কেউ বদমাইশি করেছে তা তদন্ত করা হোক। আসল রহস্য বেরিয়ে আসুক।