বাজার ও আবহাওয়া

সেনসেক্স
অপেক্ষা করুন...
আবহাওয়া (কলকাতা)
খোঁজা হচ্ছে...
সোনার দাম (১০ গ্রাম)
অপেক্ষা করুন...
১ মার্কিন ডলার (USD)
অপেক্ষা করুন...
লোড হচ্ছে...
logo
হট টপিক

চট্টগ্রামে ভারতীয় হাইকমিশন কর্তার রহস্যমৃত্যু, তদন্তে পুলিশ

প্রকাশিত: ২০ মে, ২০২৬
চট্টগ্রামে ভারতীয় হাইকমিশন কর্তার রহস্যমৃত্যু, তদন্তে পুলিশ
শেয়ার করুন :
facebook iconx iconlinkedin iconwhatsapp icon

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশের চট্টগ্রামে নিযুক্ত ভারতীয় অ্যাসিস্ট্যান্ট হাই কমিশনের এক শীর্ষ কর্মকর্তার রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। মৃতের নাম নরেন ধর (৩৮)। তিনি ওই দূতাবাসে প্রোটোকল অফিসার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। মঙ্গলবার সকালে দূতাবাসের ভেতর থেকেই তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসন এবং কূটনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।চট্টগ্রামের সহকারী পুলিশ কমিশনার আমিনুর রশিদ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। তিনি জানান, মঙ্গলবার সকালে ভারতের অ্যাসিস্ট্যান্ট হাই কমিশন থেকে স্থানীয় থানায় একটি জরুরি ফোন আসে। খবর পেয়েই পুলিশের একটি বিশেষ দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। সেখানে দূতাবাসের একটি বাথরুমের সামনে নরেন ধরের নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। পুলিশ সঙ্গে সঙ্গে দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।

পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, মঙ্গলবার ভোরের দিকে বাথরুমে যাওয়ার সময় ওই কর্মকর্তা হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হন। বুকে তীব্র ব্যথা নিয়ে তিনি মেঝেতে পড়ে যান এবং ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। তবে এটি দুর্ঘটনা নাকি এর পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে, তা নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা কাটেনি। পুলিশ জানিয়েছে, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে ময়নাতদন্তের রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছে। রিপোর্ট হাতে এলেই মৃত্যুর আসল কারণ পরিষ্কার হবে।
৩৮ বছর বয়সী নরেন ধরের এই অকাল মৃত্যুতে ভারতীয় হাইকমিশনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তিনি প্রোটোকল অফিসার হিসেবে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার বিভিন্ন কূটনৈতিক সফর ও আনুষ্ঠানিকতা দেখভাল করতেন। কর্মক্ষেত্রে অত্যন্ত দক্ষ হিসেবে তাঁর পরিচিতি ছিল। ঘটনার পর থেকে চট্টগ্রামের ভারতীয় হাই কমিশন স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে সার্বিক যোগাযোগ রাখছে। ময়নাতদন্তের প্রক্রিয়া শেষ হলে আইনি নিয়ম মেনে তাঁর মরদেহ ভারতে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানা গেছে। পুলিশ এই ঘটনার পেছনে অন্য কোনো রহস্য বা অসঙ্গতি রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে দূতাবাসের সিসিটিভি ফুটেজ ও অন্যান্য দিকও খতিয়ে দেখছে।