হট টপিক
গরমে ঘুরে আসুন সবুজের জঙ্গল ভাল্কি মাচান
প্রকাশিত: ২৭ মে, ২০২৬
নিজস্ব প্রতিনিধি: পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রাম-২ ব্লকের ভাল্কী মাচান। এই গরমে এখানে ঘুরে আসতেই পারেন আপনি। এমনিতেই শীতের সময় পিকনিক করতে ভিড় জমান পর্যটকরা। তবে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের দাবি এখন সারা বছরই ভিড় থাকে।
স্থানীয়রা জানান, প্রতি বছর ভাল্কি মাচান হাজার হাজার মানুষের ভিড়ে ভরে উঠে। সবুজ শাল-পিয়াল আর গড় জঙ্গলের ঐতিহাসিক গল্পে ঠাসা মাচানে ভিড় জমান ভ্রমণপিপাসুরা। বাস, লরি, ছোট গাড়ি করে বহু দূর দূরান্ত থেকে মানুষ এখানে পিকনিক করতে আসেন।
কথিত রয়েছে, ‘মাচান’ কথাটি এসেছে ‘মাচা’ শব্দ থেকে। বর্ধমানের মহারাজারা আউশগ্রামের এই জঙ্গলে একটি উঁচু মাচার মতো স্থাপত্য তৈরি করিয়েছিলেন। ‘ওয়াচ টাওয়ার’-এর মতো সেই স্থাপত্যে উঠে নাকি রাজা ভাল্লুক শিকার করতেন। এলাকাটি ভাল্কি নামে পরিচিত। তা থেকেই জায়গার নাম হয়েছে ‘ভাল্কি মাচান’।
জঙ্গলের মধ্যেই রয়েছে অতিথি নিবাস। তার পাশেই জলাশয়। সেখানে চাইলেই নৌকাবিহার করতে পারেন পর্যটকরা। বিরাট জলাশয়কে ঘিরে রয়েছে গোলাকৃতি বাগান। মরসুমি ফুলের সাজ সেখানে। নৌকাবিহারের জন্য প্রতি ১০ মিনিটে ৫০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া বাস, লরি বা ট্যাক্সির ক্ষেত্রে যথাক্রমে ৬০০ টাকা, ৪০০ টাকা ও ২৫০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে।
দুর্গাপুরের প্রবীরকুমার মিত্র বলেন, বাড়ির কাছে মাত্র এক ঘণ্টার দূরত্বে এই অরণ্যের নাম শুনেছিলাম। কিন্তু আসা হয়নি। মাচান দেখলাম। এরপর রাজ্য মৎস উন্নয়ন নিগমের রিসর্ট যমুনাদিঘি যাব। দ্বারিয়াপুরের ডোকরা গ্রামেও যাব। ব্যবসায়ীদের আশা সময় গড়ালে পর্যটকরা ভিড় জমাবেন ‘অরণ্য সুন্দরী’ ভাল্কীতে।
কী ভাবে যাবেন? হাওড়া থেকে ট্রেনে মানকর বা গুসকরা স্টেশনে নেমে বাস পাবেন। চাইলে গাড়ি ভাড়া করতে পারেন।

